Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

     নাইক্ষ্যংছড়ির বিজিবির সাঁড়াশি অভিযানে ৪ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার || ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে তুঙ্গে,যুদ্ধ বেধে যাওয়ার আশঙ্কা || কবি আল মাহমুদের প্রতি বিএনপির শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন || টেকনাফে বদির ভাই-বেয়াইসহ ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ || বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি কল্যাণ কামনা করে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব || জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে স্বতন্ত্র সেলিনা ইসলামসহ ৪৯ এমপিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা || সরকার স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব হেফাজত করতে ব্যর্থ হচ্ছে, কারণ তারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেনা: রুহুল কবির রিজভী || চাকরিতে প্রবেশের বয়সীমা বাড়ানোর খবরটি গুজব:ওবায়দুল কাদের || বরেণ্য কবি আল মাহমুদের মির্তুতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যন তারেক রহমানের শোক প্রকাশ || শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব,মুসল্লিদের ঢল ||

    রাত ১২টা থেকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ৪০৭ উপজেলায় স্বশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে

    December 23, 2018

    ৩৮৯ উপজেলায় সেনাবাহিনী এবং ১৮ উপজেলায় নৌবাহিনী টহল দিবে।

    pnbd24:-একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামীকাল সোমবার থেকে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী। কাল থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবে।

    নির্বাচনে ‘ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ অনুযায়ী কাজ করবেন সশস্ত্র বাহিনীর এ সদস্যরা। তারা জেলা/উপজেলা/মহানগর এলাকার সংযোগস্থলে ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবেন। তারা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী টহল ও অন্যান্য আভিযানিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্রে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মপরিধিতে বলা হয়েছে-নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা সহায়তা চাইলে আইনশৃঙ্খলা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে পুলিশসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে তারা সহায়তা করবেন।

    পাশাপাশি রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজন অনুযায়ী উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নিয়োগ দেয়া হবে।

    রিটার্নিং কর্মকর্তা বা প্রিসাইডিং কর্মকর্তার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনাকক্ষের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা।

    সেনাবাহিনী বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন।

    যে কোনো অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে সশস্ত্র বাহিনীকে ডাকা হলে, তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ থেকে ১৩২ ধারা অনুযায়ী কাজ করবেন। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো উপায়ে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা না গেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ ও গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন। সেই অনুযায়ী তারা ব্যবস্থা নেবেন।

    জরুরি পরিস্থিতিতে যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে কমিশন্ড অফিসার সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং গ্রেফতার করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

    যে কোনো অপ্রীতিকর কিছু ঘটার আশঙ্কায় সামরিক শক্তি প্রয়োগের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে লিখিত নির্দেশ দেয়ার বাধ্যবাধকতা না থাকলেও মৌখিক নির্দেশ দেয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব তা লিখিত আকারে দেবেন।

    এদিকে ইতিমধ্যে দেশব্যাপী বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে।

    Print Friendly, PDF & Email
    • 5
      Shares