Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    এমপি পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট || ফকিরাপুলে ডাস্টবিন থেকে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা ৫৫ রাউন্ড গুলি ও একটি গ্রেনেড উদ্ধার || দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম না কেনার সিদ্ধান্ত ছাত্রদলের || সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ সংসদ সদস্যের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন || ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত : বিজিবি মহাপরিচালক ||  আগামী উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না: রুহুল কবির রিজভী || ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কক‘স্বামী-স্ত্রীর মতো’ :ররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন || বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এর অভিনন্দন বার্তা || বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর বিবৃতি || হবিগঞ্জে বিএনপি নেতা জিকে গউছসহ ১৪ জন জেলে ||

    উন্নয়নের মহাসড়কে  অভিবাসীরা সর্বাগ্রে 

    December 23, 2018

    pnbd24:-আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে তেরো জন বাংলাদেশী ইপিএস কর্মী এবং পাঁচজন কোরিয়ান নিয়োগকর্তাকে    ২৩ ডিসেম্বর  সিউল দূতাবাস  সম্মাননা প্রদান করে কে ই বি হানা ব্যাংকের  অডিটোরিয়ামে । সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এইচ. আর. ডি. কোরিয়া, কমওয়েলথ -এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন দূতাবাসের লেবার অ্যাটাশে, বাংলাদেশী ইপিএস কর্মী এবং প্রবাসী বাংলাদেশীসহ প্রায় শতাধিক দর্শক  উপস্থিত ছিলেন।  বর্ণিল এই আয়োজনে   আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার দ্বিতীয় পর্বটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশী পাঁচজন ইপিএস কর্মী কর্তৃক সমবেত কন্ঠে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার  জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।   দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মুকিমা বেগম দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেন। অন্যান্যদের মধ্য  মি: কিম হিয়স সং, প্রতিনিধি, হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট অব কোরিয়া। “হ্যাপি রিটার্ন” প্রোগামের উপর এইচ. আর. ডি. কোরিয়ার একটি উপস্থাপনা করেন। রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম। তিনি সম্মাননাপ্রাপ্ত বাংলাদেশী ইপিএস কর্মীদের অভিনন্দন জানান এবং বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে তাদের সংশ্লিষ্টতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম আরো বলেন, ২০১৬ সালে সর্বপ্রথম বাংলাদেশ দায়িত্বশীল, নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসনের জন্য “গ্লোবাল কমপ্যাক্ট” এর ধারণাটি  বিশ্বসম্প্রদায়ের নিকট উপস্থাপন করেন। দুই বছর পর্যালোচনার পর ২০১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর এটি জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত হয়। তিনি  আরো বলেন, বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রবাসী কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। অভিবাসনের গুরুত্ব বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকার সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এ বিষয়টিকে অন্তর্ভূক্ত করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশী ইপিএস কর্মীদের  কর্মনিষ্ঠা, আনুগত্য এবং তাদের সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের প্রশংসা করেন।উল্লেখ্য,  সর্বোচ্চ সংখ্যক বাংলাদেশী ইপিএস কর্মী নিয়োগের জন্য পাঁচজন কোরিয়ান নিয়োগকর্তাকে সম্মাননা প্রদান করে সিউল দূতাবাস।   ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বৈধ উপায়ে সর্ব্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণ, একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অবস্থান, ভিসা ক্যাট্যাগরি পরিবর্তন এবং কোরিয়ান সরকার কর্তৃক সম্মাননা প্রাপ্তির জন্য মোট  আঠারো জন বাংলাদেশী ইপিএস কর্মীকে  সম্মাননা দেয়া হয়।  এতে দিবসের তাৎপর্যের উপর  কথা বলেন  দূতাবাসের কাউন্সেলর ( বাণিজ্যি উইং)  মোহাম্মদ মাসুদ রানা চৌধুরী, এবং সঞ্চালনা করেন প্রথম সচিব  (দূতালয়) রুহুল আমিন।এ ছাড়া    অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে বাংলাদেশের স্বনামধন্য অভিনয় শিল্পী মোমেনা চৌধুরী অভিনীত মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের এক বীরঙ্গনার  সংগ্রামী জীবনের নাট্য প্রকাশ “লাল জমিন” মঞ্চস্থ হয়। অভিনয় শিল্পী মোমেনা চৌধুরীর অনবদ্য অভিনয় দর্শকদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে একটি ভিন্ন  মাত্রায় সঞ্চারিত করেছে।উল্লেখ্য,গত  ১৮ ডিসেম্বর  সিউল দূতাবাসে অভিবাসী দিবসের উপর আরেকটি  অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস প্রতি বছর ১৮ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সকল সদস্যভূক্ত দেশে পালিত হয়ে আসছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৪ ডিসেম্বর, ২০০০ সালে দিনটি বিশ্বব্যাপী উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। মূলতঃ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ব্যাপক হারে অভিবাসন ও বিপুলসংখ্যক অভিবাসীদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদিকে ঘিরেই এ দিবসের মূল। ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে সাধারণ পরিষদ অভিবাসী শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা এবং তাদের পরিবারের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক চু্ক্তি ৪৫/১৫৮ প্রস্তাব আকারে গ্রহণ করে।এর প্রেক্ষাপটে ১৮ ডিসেম্বর দিনটিকে লক্ষ্য করে মাইগ্রেন্ট রাইটস্‌ ইন্টারন্যাশনাল, ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অন মাইগ্রেন্টস রাইটস্‌-সহ বিশ্বের অনেক সংগঠন অভিবাসীদের স্বার্থ রক্ষার্থে বৈশ্বিকভাবে প্রচারণা চালায়। অবশেষে ১৯৯৯ সালের শেষার্ধে অন লাইনে ব্যাপক প্রচারণার ফলে জাতিসংঘের মুখপাত্র এ দিবসটিকে ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করতে বাধ্য হন।
    Print Friendly, PDF & Email