Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    এমপি পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট || ফকিরাপুলে ডাস্টবিন থেকে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা ৫৫ রাউন্ড গুলি ও একটি গ্রেনেড উদ্ধার || দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম না কেনার সিদ্ধান্ত ছাত্রদলের || সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ সংসদ সদস্যের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন || ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত : বিজিবি মহাপরিচালক ||  আগামী উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না: রুহুল কবির রিজভী || ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কক‘স্বামী-স্ত্রীর মতো’ :ররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন || বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এর অভিনন্দন বার্তা || বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর বিবৃতি || হবিগঞ্জে বিএনপি নেতা জিকে গউছসহ ১৪ জন জেলে ||

    ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী জীবা আমিনার হলফনামায় তালাক দেয়া স্বামীর নাম-ঠিকানা নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি!!

    December 22, 2018

    রাজাকারের কন্যা জীবার নানা কেলেংকারী‘টক অব দ্যা টাউন’

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: স্বামীর অর্থ-সম্পদ নিয়ে বিরোধের জের ৪ বছর থেকে পৃথকবাস ও একবছর পূর্বে তালাকপ্রাপ্ত ঝালকাঠি-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জীবা আমিনা খান তার হলফনামায় স্বামীর নাম-বাসার ঠিকানা সম্পর্কে মিথ্যা-বানোয়াট তথ্য উল্লেখ করার অভিযোগ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ঝালকাঠির রাজনীতিতে নবাগত এ নারী নেত্রীর পিতা পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রী ব্যারি: আখতার উদ্দিনের স্বাধীনতা বিরোধী ভূমিকা, ব্যক্তিগত কেলেংকারী ও ব্যবসায়ীক প্রতারনাসহ একের পর এক কাহিনী ছড়িয়ে পরলে এলাকাবাসী সর্বমহলে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত জীবা আমিনা সম্পর্কে ঝালকাঠি-২ (সদর-নলছিটি)নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা বা জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা তেমনটা অবগত না থাকায় হঠাৎ করে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীর হলফনামায় স্বামীর নাম-ঠিকানা ভূয়া উল্লেখ নিয়ে এলাকার সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনায় বিষয়টি ‘টক অব দ্যা টাউনে’ পরিনত হয়েছে
    জীবা আমিনা খানের হলফনামার তথ্যে স্বামীর নামের ঘরে মোকাররম হোসেন খান লিখলেও স্বামীর সাথে ব্যবসায়িক ও অর্থিক বিরোধের জের ধরে জীবা আমিনা গত ২০১৪ সাল থেকে পৃথক ভাবে বসবাস করে আসছে তার ঘনিষ্ট সূত্রে জানাগেছে। আর মোকাররম হোসেন খানের বিগত ২০১৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তাকে আইনগত ভাবে প্রথম তালাকনামা প্রেরন করেন ও গত ১০ মার্চ’ ২০১৮ তারিখ জীবা আমিনা খানের তালাক (ভলিউম নং-৬ / পেইজ-২) কার্যকর হয় বলে তার আইনজীবী এ্যাডভোকেট হোসনে আরা দাবী করেন। অথচ এরপরেও জীবা আমিনার হলফনামায় তার মক্কেল মোকাররম হোসেন খানের নাম ব্যবহার করলে সেটা সম্পূর্ন বেআইনী ও প্রতারনার সামিল। গত দুই/তিন দিন পূর্বে এ বিষয়ে সাংবাদিকরা তথ্য পাওয়ার পর সাবেক স্বামী মোকাররম হোসেন খান ও তার আইনজীবী এ্যাডভোকেট হোসনে আরা সহ সং¤িøষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
    জীবা আমিনা খানের হলফনামায় তার বর্তমান ঠিকানার ঘরেও সাবেক স্বামী মোকাররম হোসেন খানের মালিকানাধীন বাড়ীর ঠিকানা বাড়ী নং-১৬,এপিটি-৫০১, রাস্তা নং-৫৯ গুলশান, ঢাকা উল্লেখ করেন। অথচ কয়েক বছর ধরেই তিনি সেই বাড়ী ছেড়ে বর্তমানে ইউএন রোড, বারিধারার একটি বাসায় বসবাস করছেন বলে একটি সূত্রে জানাগেছে। এ ব্যাপারে এ্যাডভোকেট হোসনে আরা দাবী করেন, জীবা তার হলফনামায় বর্তমান ঠিকানার ঘরটিতে যে বাড়ীর নাম্বার-নাম উল্লেখ করেছে সেই বাড়ীর মালিক আমার মক্কেল মোকাররম হোসেন খান। তার এধরনের মিথ্যা তথ্য দানের বিষয় আমার মক্কেল মোকাররম হোসেন খানের সাথে আলোচনা করেছি। তার সাথে পরামর্শ করার পর এবিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।
    এ বিষয়ে ব্যবসায়ী মোকাররম হোসেন খান কোন প্রতিক্রিয়া না জানলেও তাদের ঘনিষ্ট একটি সূত্র ঝালকাঠি-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জীবা আমিনার বেপরোয়া জীবন-যাপন, ২৩টি বিয়ে ও বিয়েন পূর্ব পরকীয়া সম্পর্ক ও জানায়, বিগত ২০০৩-৪সালের দিকে ব্যবসায়ী মোকাররম হোসেন খান তার ক্যান্সারে আক্রান্ত স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য লন্ডন যায়। সেখানে জীবার চাচাতো ভাই তথা স্বামী ডাঃ নিয়াজ করিমের মাধ্যমে মোকাররম হোসেন খানের সাথে জীবার পরিচয় হওয়ার এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে পরকিয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রথম স্ত্রী ক্যান্সার আক্রন্ত হলে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় মানসিক ভাবে একাকীত্বের সময়কালে লন্ডনে বিজনেস ম্যানেজমেন্টে মাষ্টার ডিগ্রীধারী উচ্চ শিক্ষিতা ও এক সময় অবিভক্ত পাকিস্থানের মন্ত্রী ব্যারিষ্টার আক্তার উদ্দিনের কন্যা জীবা আমিনাকে ভালোবেসে বিয়ে করে ব্যবসায়ী মোকাররম হোসেন খান। এক পর্যায়ে নিয়াজ করিম ও তাদের সংসারে জন্মনেয়া ৩ সন্তানকে ফেলে জীবা আমিনা পরকিয়া প্রেমের টানে মোকাররম হোসেন খানের হাত ধরে পাড়ি জমায় বাংলাদেশে।
    সূত্রটি আরো জানায়, দেশে ফিরে জীবা আমিনা লন্ডনে ফেলে আসা স্বামী-সন্তানের কথা গোপন করে ও পূর্বের স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়েই মুকাররাম হোসেনের সাথে সংসার শুরু করে। পরে সামাজিক ও ধর্মীয় কারনে লন্ডনের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে আইনী প্রক্রিয়ায় মুকাররাম হোসেনকে বিয়ে করে নতুন করে সংসার শুরু করে। স্বামী-স্ত্রী ৫/৬বছর ভালোই কাটালে সংসারে একটি সন্তান জন্ম হয় এবং মুকাররাম হোসেন তার রিয়াল ষ্টেট ব্যবসা ক্যাপিটাল গ্রæপ, ক্যাপিটাল ফুড এন্ড ভেবারেজ, গুলশানে ক্যানি রোজার হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টসহ সকল ব্যবসায় স্ত্রী জীবাকে পাটনার অন্তর্ভূক্ত করে। ইতিমধ্যে ২০০৯-১০সালের দিকে জীবা আমিনা বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে মাত্রাতিরিক্ত ব্যায় শুরু করলে ২০১১-১২সালের দিকে অর্থ-সম্পদের হিসাব নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয় এবং ২০১৪ সাল থেকে স্বামী-স্ত্রী আলাদা ভাবে বসবাস করে। তাছাড়া বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক টিমিরে সদস্য অন্তর্ভূক্ত হয়ে সে নানা চক্রান্ত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকান্ডেও জড়িয়ে পরে বলে সূত্র জানায়।
    হলফনামায় ডিভোর্স হয়ে যাওয়া স্বামীর নাম ব্যবহার করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জীবা আমিনা খান বলেন, তালাকের কোন কাগজপত্র আমি হাতে পাইনি। পরে আবার তিনি বলেন হলফনামায় ডিভোর্সের কথা উল্লেখ রয়েছে। মোকাররম হোসেনের ঠিকানা ব্যবহার করা প্রসঙ্গে বলেন, ওখানে আমি এখন থাকিনা, আগে থাকতাম। তৃতীয় স্বামী মুকাররাম হোসেন খানকে বিয়ে করার পূর্বে তার সাথে সাহাদাৎ হোসেন মিয়ার সাথে প্রথম ও তাকে ছেড়ে আপন চাচাতো ভাই ডাঃ নিয়াজ করিমের সাথে দ্বিতীয় বিয়ে ও ৩ সন্তান থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

    Print Friendly, PDF & Email