Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আজ সকালে বমি করেছেন,কিছুই খেতে পারছেন না:মির্জা ফখরুল || রাজধানী ঢাকার কোনো রুটেই সু-প্রভাত বাস চলবে না: মেয়র আতিকুল ইসলাম || আবরার আহাম্মেদকে চাপা দেয়া বাসটির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে বিআরটিএ || নিউজিল্যান্ডের মুসল্লিদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর প্রথম সংসদীয় অধিবেশন শুরু করা হয়েছে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। || দক্ষিণ আফ্রিকায় জাকের হোসেন নামের এক বাংলাদেশিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা || কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক ছাএ নেতা সামসুল আলম || বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে চেয়ারম্যান পদে ফিরোজ হায়দার || সিমেন্টের বদলে বালি আর রডের বদলে বাঁশ দিবেন না: গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ || তাঁতী দলের উদ্যোগে আব্দুল আলী মৃধার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হবে || অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে কিনা জানতে চেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ||

    তথ্য মন্ত্রী সর্ম্পর্কে তাঁর দলেরই একজন নেতা বলেছিলেন তিনি বিশ্বের সেরা বেয়াদব:রিজভী আহমেদ

    March 11, 2019

    pnbd24:-তথ্যমন্ত্রী বলেছেন,“খালেদাকে সানগ্লাস পড়া দেখলে মনে হয় না তিনি অসুস্থ”বন্ধুরা,এ বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই। আমি প্রেসিডিয়াম সদস্য মিসেস সাজেদা চৌধুরির প্রজ্ঞা ও জাজমেন্টে প্রশংসা করি এজন্য যে, তাঁর দলেরই একজন নেতা ও মন্ত্রী সর্ম্পর্কে বলেছিলেন বিশ্বের সেরা বেয়াদব। এমন কোন কি ব্যক্তি আছেন যাদের চোখে অপারেশন হওয়ার পর সানগ্লাস পড়েন না। চোখের ক্ষত না সারা পর্যন্ত রোদ, ধূলা ও পানি থেকে চোখকে নিরাপদ রাখার জন্যইতো সানগ্লাস ব্যবহার করে। রাজনৈতিক ব্যক্তি যখন ব্যক্তিত্বহীন হয়ে পড়েন, বেআইনি পন্থায় দখলকৃত ক্ষমতার অংশীদার হতে প্রধান নেতার মুসাহেবি করার কুৎসিত প্রতিয়োগিতায় নেমে দেশের বিরোধী রাজনীতির সন্মানীত নেতাদের সম্পর্কে অভদ্র ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিতেও কার্পণ্য করে না। এই সব ব্যক্তি যতই ক্ষমতাশালী মন্ত্রী হোক না কেন তাদের সাংস্কৃতিক মান অত্যন্ত নিচুমানের। তারা সুরুচিপূর্ণ ও সুসংস্কৃত পরিবেশে গড়ে উঠেন নি। তথ্যমন্ত্রীর কথাবার্তা শুনলে মনে হয় মন্ত্রীত্ব রক্ষার গ্যারান্টির জন্যই আগের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর চেয়ে এক ধাপ উপরে থাকতে চাচ্ছেন। সেজন্যই জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে দিনরাত অশ্রাব্য অশোভন মন্তব্য করতে দ্বিধা করছেন না। কারণ জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে অশোভন বক্তব্য বিবৃতির প্রতিযোগিতায় যে চ্যাম্পিয়ন হয় তাকেই সরকার প্রধান ক্ষমতার ভাগ দিতে মন্ত্রী সভায় রাখেন।
    আওয়ামী লীগের আরেকজন নেতা বলেছেন, খালেদা জিয়া সুস্থতা বোধ করায় হাসপাতালে যেতে চাচ্ছেন না।
    বন্ধুরা,
    দেশে সহিষ্ণুতার পরিবেশকে কালিমালিপ্ত করে বিদ্বেষ ও বিভাজন ছড়াচ্ছেন আওয়ামী নেতারা। বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে মস্করা করতেই মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতারা প্রতিযোগিতায় নেমেছে। বাংলাদেশ নামক দেশটি আদিম শিকারিদের মতো চালিত হচ্ছে। বিরোধী দলকে বেয়নেট, কার্তুজ,লাঠি পেটা, বোমাগুলি বারুদের দমবন্ধ করা ধোঁয়ার কুন্ডলির মধ্যে ঢেকে রাখার সকল পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে। দেশনেত্রীর প্রতি সরকার প্রধানের বিদ্বেষপোষনের কারণেই সরকার তাঁকে বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তির সুযোগ দিচ্ছে না। বার বার পরিবারের ও দলের পক্ষ থেকে কারা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পরও তাদের নির্দয় মনোবৃত্তির কোন পরিবর্তন হয়নি। তারা জোর করে তাঁকে বিএসএমএমইউতে (পিজি) পাঠাতে চায়। পিজিতে কয়েকমাস আগে বেগম খালেদা জিয়াকে ভর্তি করার পর তাঁকে চিকিৎসা না দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁর রোগ নির্ণয়ের জন্য তেমন কোন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি। যাও দু একটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছিল তাও আবার জুনিয়র ও অদক্ষ টেকনিশিয়ার দ্বারা করানো হয়েছে। তাঁকে চিকিৎসা দিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশ পর্যন্ত মানা হয়নি। বন্ধুরা, যে পিজি হাসপাতালে অন্য হাসপাতাল থেকে ক্লিনিক্যাল যন্ত্রপাতি ধার করে আনতে হয়, সেখানে কিভাবে সুচিৎিসা সম্ভব। আওয়ামী নেতাদের চিকিৎসা সেখানে সম্ভব হয়নি। বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনার পরও আওয়ামী নেতাদের বিদেশে পাঠাতে হয় চিকিৎসার জন্য। সেটিও আবার রাষ্ট্রীয় খরচে। অথচ বেগম জিয়ার নিজ দেশে নিজ খরচে, বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর সুযোগ নেই। শুধুমাত্র বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মিডনাইট ভোটের সরকার প্রধানের প্রতিহিংসার তুষের আগুন ধিকিধিকি জ্বলার কারণেই বেগম জিয়া কারান্তরালে এবং তাঁকে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। জনমত উপেক্ষা করে যারা জোর করে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখে তাদের কখনোই সংবেদনশীল মন থাকে না। বিরোধী পক্ষকে হয়ারানী, নিপীড়ন ও নিষ্ঠুরতাই হয় তাদের দেশ পরিচালনার প্রধান বাহন।
    সাংবাদিকবৃন্দ,

    গণতান্ত্রিত ব্যবস্থা ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে, বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে, কণ্ঠরোধের স্বৈরাচারি প্রাতিষ্ঠানিক রুপ ভেঙ্গে ফেলতে, মত প্রকাশের অধিকার হরণ ও সন্ত্রাসের বাতাবরণ বন্ধ করতে, বিরোধী দল শূন্য দেশ গঠনে শেখ হাসিনার একগুয়ে মনোবৃত্তির কবল থেকে বাঁচতে, গণতন্ত্রের দুর্দিন থেকে সুদিন ফেরাতে, পুলিশি আধিপত্য থেকে দেশকে বাঁচাতে, মৌলিক অধিকারের টুঁটি টিপে ধরা ছাড়াতে, বারা বার হারানো গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার পরীক্ষিত অবিসাংবাদিত নেতৃত্ব দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি চায়। তাঁকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

    Print Friendly, PDF & Email
    • 4
      Shares