Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    নুসরাত হত্যার ঘটনায় অন্যতম আসামি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন আটক || কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবীতে রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল || খালেদা জিয়া প্যারোলে মুক্তি নিয়ে সরকারপন্থি কয়েকটি মিডিয়া প্রতিদিন মনগড়া প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে:রিজভী আহম্মেদ || সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত ৬ জন শপথ নেবে না:বিএনপি || খালেদা জিয়ার জামিনে সরকারের কোন হস্তক্ষেপ নেই,বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীন:মন্ত্রী আনিসুল হক || ‘খালেদা জিয়া-তৃতীয় বিশ্বের কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক বইটির মোড়ক উন্মোচন || নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিলেছে:পুলিশ সদর দফতর || গণতন্ত্রে অবিশ্বাসীরাই ভোটের উৎসবকে কলুষিত করতে চায় || ২০৬ মামলার আসামি মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবীব-উন নবী খান সোহেলের মুক্তি কতদূর? || খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ||

    দুই পুলিশ সদস্যের‘ইউনিফর্ম খুলেই নিলেন’গাজীপুরের এসপি সামসুন্নাহার

    February 9, 2019

    pnbd24:-গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) সামসুন্নাহারের ঘোষণার ১৬৪ দিনের মাথায় দুই পুলিশ সদস্যের পোশাক খুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    যাদের একজন গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই); অন্যজন পাশ্ববর্তী টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানায় একই পদে কর্মরত ছিলেন।

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি তিন তরুণকে অপহণের দায়ে বৃহস্পতিবার প্রত্যাহারের পর আজ শুক্রবার ওই দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কালিয়াকৈর থানার এএসআই আবদুল্লাহ আল মামুন ও মির্জাপুর থানার এএসআই মুসফিকুর রহমান।

    “তারা দুজনই গাজীপুর জেলার ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চে (ডিবি) কর্মরত ছিলেন। তখন থেকেই তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে ওঠে। এরপর নানা অপরাধে জড়ান”

    আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার (এসপি) সামসুন্নাহার।

    বেলা তিনটার পর নিজ কার্যালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিক ডেকে এ কথা জানান তিনি।

    অপহরণের শিকার তিন তরুণ হলেন কালিয়াকৈর উপজেলার বড়ইবাড়ি এলাকার রায়হান সরকার, লাবিব হোসেন ও শ্রীপুর উপজেলার চন্নাপাড়া এলাকার নওশাদ ইসলাম।

    অপহরণ করে মুক্তিপণ চাওয়ার অভিযোগে পুলিশের দুই সদস্যের নাম উল্লেখ করে আজ কালিয়াকৈর থানায় মামলা (নম্বর ২০) করেন রায়হান সরকার। এই মামলায় ৬-৭ জনকে অচেনা আসামি করা হয়েছে।

    দুজনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আদালতে প্রমাণ হলে কমপক্ষে তাদের একযুগ সাজা পেতে হবে।

    পুলিশ সুপার জানান, “কোনো পুলিশ সদস্য অপরাধ করে পার পাবে না। ওই ঘটনা গাজীপুর সীমানায় হওয়ায় মির্জাপুর থানার এএসআইকেও এই জেলার পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।”

    “গত বছরের ২৮ অগাস্ট একই স্থানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পুলিশ সুপার বলেছিলেন, পুলিশের কোনো সদস্য অন্যায় করলে বা জনগণকে হয়রানি করলে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে ওই পুলিশের পোশাক খুলে নেওয়া হবে।”

    যোগফলের পক্ষ হতে এই বক্তব্য স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় পুলিশ সুপারকে। পরে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় অনেক পুলিশের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা জানাতে অনুরোধ করেন তিনি।

    ‘১৬৪ দিনে পুলিশ কি তাহলে কোনো অপরাধ করেনি যোগফলের এমন প্রশ্নে, সভায় উপস্থিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, সব ঘটনায় তো পুলিশের পোশাক খুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। অপরাধ অনুযায়ী অনেকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি এমন তথ্য দিতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন।’

    পরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় রাসেল শেখ ফোন করে বলেন, এই সময়ের (১৬৪ দিন) মধ্যে ২০ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ ওঠেছে। এদের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ; তা অনুসন্ধানের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    গত ১৬ জানুয়ারি কালিয়াকৈর উপজেলার জালশুকা এলাকার এক নিরীহ পরিবারকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে কালিয়াকৈর থানার এসআই জাফর আলীসহ কয়েকজন পুলিশের বিরুদ্ধে। বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপর ওই ঘটনাটি তদন্ত করেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    পরে ওই ঘটনার ১৭ দিন পর গত ২ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সুপার কেবল এসআই জাফর আলীকে শাস্তির বদলে বদলি করেন কাপাসিয়া থানায়। কিন্তু বদলি আদেশের ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও কালিয়াকৈর থানায় অবস্থান করছেন।

    “আজকের সভায় যোগফলের পক্ষ হতে এ বিষয়টিও এসপির নজরে আনা হয়। তখন সভাকক্ষে উপস্থিত কালিয়াকৈর থানার ওসি আলমগীর হোসেন মজুমদারের কাছে বিষয়টি জানতে চান এসপি। তাৎক্ষণিক এসআই জাফরকে কর্মস্থলে (কাপাসিয়া) যোগ দিতে ওসিকে নির্দেশ দেন এসপি। না হলে তাকে বরখাস্ত করার হুশিয়ারিও দেন এই নারী পুলিশ সুপার।”

    Print Friendly, PDF & Email
    • 10
      Shares