Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    এমপি পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট || ফকিরাপুলে ডাস্টবিন থেকে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা ৫৫ রাউন্ড গুলি ও একটি গ্রেনেড উদ্ধার || দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম না কেনার সিদ্ধান্ত ছাত্রদলের || সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ সংসদ সদস্যের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন || ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত : বিজিবি মহাপরিচালক ||  আগামী উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না: রুহুল কবির রিজভী || ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কক‘স্বামী-স্ত্রীর মতো’ :ররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন || বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এর অভিনন্দন বার্তা || বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর বিবৃতি || হবিগঞ্জে বিএনপি নেতা জিকে গউছসহ ১৪ জন জেলে ||

    নবাবগঞ্জে প্রাচীন স্থাপনার নিদর্শন রক্ষাসহ সংরক্ষন করা প্রয়োজন

    December 18, 2018

    মোঃ মাহমুদুল হক মানিক,বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্রাচীন যুগের বেশ কিছু ঐতিহাসিক নিদর্শনের স্থাপনা।

    কোন কোন স্থানে মাটির নিচেও লুকিয়ে আছে এরকম স্থাপনা। রয়েছে অনেক ঢিবি যা খনন করলে কিছু উন্মোচন হতে পারে। এসব স্থাপনা ও ঢিবি গুলো রক্ষা করা সহ সংরক্ষন করা প্রয়োজন বলে প্রতœতত্ব বিদগণ মত পোষন করেন।

    উল্লেখ যোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের সীতাকোর্ট বৌদ্ধ বিহার, মুনিরথান, মাহমুদপুর ইউনিয়নের দারিয়ায় অরুনধাপ বা বেহুলার বাপের বাড়ী ঢিবি, বেহুলার বাসর ঘর ঢিবি,হরিনাথপুর দূর্গ, হলাইজানা তেলিপাড়া মসজিদ, দাউদপুর ইউনিয়নের জিগাগড় দূর্গ, পুটিমারা ইউনিয়নের টঙ্গীর ঢিবি,দলারদগা মঠ ।
    দিনাজপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক আঃ কাঃ মোঃ যাকারিয়ার সাহেবের মতে সমগ্র এলাকা ছিল প্রাচীন একটি জনপদ ও বৌদ্ধ ধর্ম সস্কৃতির কেন্দ্র। এখানে একাধিক বৌদ্ধ বিহার ও স্তুপ থাকার সম্ভাবনা আছে তিনি মন্তব্য করেন বলে একটি বই থেকে জানা যায়।

    বাংলাদেশ প্রতœ সম্পদ গ্রন্থের মতে মাহমুদপুর এলাকায় ১৯৬০ সালের আগে মোট ঢিবি ছিল ১০০টি, ১৯৬৭ সালে কমে দাড়ায় ৫১টি। সেগুলোর মধ্যে এখন অনেক ঢিবিই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ প্রতœতত্ব অধিদপ্তরের পরিক্ষা মূলক খননের পর অরুন ধাপে দেখা গেছে বগুড়ার লখিন্দরের মেড় সদৃশ্য একটি পুরাকীর্তির অস্তিত্ব ঢিবির তলদেশে বিদ্যমান।

    দাউদপুর ইউনিয়নের খয়েরগনি নামক স্থানে ২০০৬ সালে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতœতত্ব বিভাগের খনন দল খনন করে বৌদ্ধ বিহারের স্থাপনার অস্তিত্ব পেয়েছিলেন। ওই সময় অর্থের অভাবে সেটি পুরো খনন করা সম্ভব হয় হয়নি।

    বর্তমানে সেটি মাটির নিচে পড়ে রয়েছে। এসব স্থাপনা সংস্কার সহ সংরক্ষন করা গেলে এলাকায় পর্যটকদের আগমন ঘটবে বলে অনেকেই মন্তব্য করেন।

    Print Friendly, PDF & Email