Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    নুসরাত হত্যার ঘটনায় অন্যতম আসামি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন আটক || কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবীতে রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল || খালেদা জিয়া প্যারোলে মুক্তি নিয়ে সরকারপন্থি কয়েকটি মিডিয়া প্রতিদিন মনগড়া প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে:রিজভী আহম্মেদ || সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত ৬ জন শপথ নেবে না:বিএনপি || খালেদা জিয়ার জামিনে সরকারের কোন হস্তক্ষেপ নেই,বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীন:মন্ত্রী আনিসুল হক || ‘খালেদা জিয়া-তৃতীয় বিশ্বের কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক বইটির মোড়ক উন্মোচন || নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিলেছে:পুলিশ সদর দফতর || গণতন্ত্রে অবিশ্বাসীরাই ভোটের উৎসবকে কলুষিত করতে চায় || ২০৬ মামলার আসামি মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবীব-উন নবী খান সোহেলের মুক্তি কতদূর? || খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ||

    সারাদেশে ‘নাগরিক অধিকার মঞ্চ’ প্রতিষ্ঠার দাবি

    February 10, 2019

    হৃদয় চৌধুরী :-

    জন পার্টি স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ একটি নতুন ধারার নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক প্লাটফর্ম। বিগত ২ বছর যাবৎ বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয়রোধ জনসচেতনতামূলক জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি পালন করে আসছে জন পার্টি। জন পার্টির মূল ¯েøাগান হল, ক্ষমতার জন্য নয় নতুন প্রজন্মের কাছে মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস প্রচার, জনস্বার্থে জনমূখী কর্মকান্ড পরিচালনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করা। জন পার্টি ইতিমধ্যে হাসপাতালে অসহায় রোগীদের চিকিৎসায়, কন্যাদায়গ্রস্থ বেশ কয়েকজন পিতাকে আর্থিক সহায়তা। ক্রিকেটার চামেলীর পাশে দাড়ানো, ক্যান্সারে আক্রান্ত মিথিলাকে বাচাঁতে উদ্যোগ গ্রহণসহ বেশ কিছু মানবিক কর্মসূচি পালন করা হয়। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসে সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও মানববন্ধনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। জন পার্টির উদ্যোগে সম্প্রতি বিদেশ নয়, দেশেই চাই উন্নত চিকিৎসা শীর্ষক একটি মনাববন্ধন ও আলোচনা সভা করে জন পার্টি। জন পার্টির প্রতিটি কর্মসূচিই জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ও ঢাকার বিভিন্ন অভিজাত মিলনীয়তনে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

    চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশের উন্নয়নে আত্ম নিয়োগ করার জন্য জন পার্টির পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। প্রধানমন্ত্রীর দক্ষতায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মডেল হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান পেয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের পদ্মাসেতু আপনার বিশেষ উপহার। সারাদেশে যোগাযোগ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরাসনে নানামূখী পদক্ষেপ, সৌন্দয্যমন্ডিত হাতির ঝিল আজকে শুধু বাংলাদেশেই নয় বিদেশী পর্যটকদেরও নজর কেড়েছে।
    নাগরিক অধিকার মঞ্চ প্রতিষ্ঠার দাবি
    বাংলাদেশের হাজারো মানুষ হাজারো সমস্যায় ভুগছে। মানবাধিকার, নাগরিক অধিকার, আইনী ঝামেলা, সম্পত্তিগত সমস্যা, বেকারত্ব, শিক্ষা ব্যবস্থাসহ নানামূখী দুর্নীতি। সমস্যায় জর্জরিত মানুষগুলো অনেক সময় তাদের দুঃখ দুর্দশা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে তুলে ধরতে পারে না। প্রশাসনও অনেক সময় ভুক্তভোগীদের বক্তব্য আবেদন নিবেদনের কোন গুরুত্ব দেয় না। তাই সাধারণ মানুষের অভাব, অভিযোগ, দুঃখ, কষ্ট, সমস্যা, সম্ভাবনা, অভিজ্ঞতা, উদ্ভাবন, কৃতিত্ব সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে জানানোর জন্য ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে একটি নাগরিক অধিকার মঞ্চ তৈরী করা হোক। সেই আদলে প্রতিটি বিভাগীয় শহর, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে পর্যায়ে নাগরিক অধিকার মঞ্চ প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছি। জন পার্টি চায় দেশের প্রতিটি মানুষ সুবিধামত স্থানে নাগরিক অধিকার মঞ্চে তার বক্তব্য তুলে ধরবে। তার পূর্বে সে যে বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চায় সেই সংশ্লিষ্ট স্থানীয় দপ্তরে একটি পত্র মারফত নাগরিক অধিকার মঞ্চ ব্যবহার ও বরাদ্দের বিষয়টি অবহিত করবে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ভূক্তভোগী নাগরিকদের বক্তব্য সংগ্রহ করে তা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে প্রেরণ করবে এবং কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগীর সমস্যা সমাধানে বা তার বক্তব্যের বিষয়ে জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
    কেন্দ্রীয় নাগরিক অধিকার মঞ্চ
    এটি একটি খোলা জায়গায় স্থাপন করতে হবে। ঢাকা মহানগরী পাশ্ববর্তী কোন এলাকায় প্রতিষ্ঠা করলে ভাল হয়। যাতে এর প্রভাবে লোক চলাচলের বেঘাত বা জানযটের সৃষ্টি না হয়। অনুমতির জন্য সরকার নিদৃষ্ট একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দিবে। যাতে যে ব্যক্তি নাগরিক অধিকার মঞ্চ ব্যবহার করবে সে যথা সময়ে ব্যবহার করতে পারে। একজন ব্যক্তি নাগরিক অধিকার মঞ্চ সর্বোচ্চ ১ ঘন্টা ব্যবহার করতে পারবে। নাগরিক অধিকার মঞ্চের সামনে সরকারি সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও ¯্রােতাদের জন্য আলাদা আলাদাভাবে ভালমানের বসার ব্যবস্থা করতে হবে। মঞ্চে ব্যবহারের জন্য সাউন্ড সিষ্টেম, ফ্যান ও প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রিসিটির ব্যবস্থা করতে হবে। নাগরিক অধিকার মঞ্চের আসা ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে তার জন্য সরকারীভাবে পরিবহনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

    বিভাগীয় পর্যায়ে নাগরিক অধিকার মঞ্চ
    প্রতিটি বিভাগীয় শহরে নাগরিক অধিকার মঞ্চ প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যে কোন একটি শাখাকে এটি ব্যবহার ও বরাদ্দের জন্য দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। বিভাগীয় কমিশনার তার ইচ্ছানুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নাগরিক অধিকার মঞ্চে আসা ব্যক্তির বক্তব্য তার কাছে পৌছানোর দায়িত্ব দিতে পারে।

    জেলা পর্যায়ে নাগরিক অধিকার মঞ্চ
    জেলা পর্যায়ে যানজট এড়াতে নাগরিক অধিকার মঞ্চ জেলা শহরের আশে পাশে প্রতিষ্ঠা করলে ভাল হয়। জেলা প্রশাসনের যে কোন একটি শাখাকে অনুমতি ও বরাদ্দের জন্য দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। অন্যান্য কার্যাদি কেন্দ্রীয় নাগরিক অধিকার মঞ্চের মতো একইভাবে পরিচালিত হবে।

    উপজেলা পর্যায়ে নাগরিক অধিকার মঞ্চ
    উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরের যে কোন একটি শাখাকে অনুমতি ও বরাদ্দের জন্য দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। উপজেলা সদরেই নাগরিক অধিকার মঞ্চ প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। অন্যান্য কার্যক্রম কেন্দ্রীয় নাগরিক অধিকার মঞ্চের আদলেই পরিচালিত হতে পারে।

    ইউনিয়ন পর্যায়ে নাগরিক অধিকার মঞ্চ
    ইউনিয়ন পর্যায়ে নাগরিক অধিকার মঞ্চ প্রতিষ্ঠার জন্য ইউনিয়নের যে কোন স্থানে জায়গা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অনুমতি ও বরাদ্দের জন্য ইউনিয়ন সচিবকে দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। ভুক্তভোগীর বক্তব্য সংশ্লিস্ট দপ্তরে প্রেরণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কর্তৃক যে কোন একজন ইউপি সদস্য, ইউনিয়ন সচিব অথবা ইউনিয়নের যে কোন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে।
    লেখক : হৃদয় চৌধুরী, চেয়ারম্যান, জন পার্টি, মোবা: ০১৬৮৪১১১৬৯৬

    দৃষ্টি আকর্ষণ: মতামত/উপ-সম্পাদকীয়/চিঠিপত্র/খোলা কলম/মুক্তমত

    Print Friendly, PDF & Email
    • 35
      Shares