Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আজ সকালে বমি করেছেন,কিছুই খেতে পারছেন না:মির্জা ফখরুল || রাজধানী ঢাকার কোনো রুটেই সু-প্রভাত বাস চলবে না: মেয়র আতিকুল ইসলাম || আবরার আহাম্মেদকে চাপা দেয়া বাসটির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে বিআরটিএ || নিউজিল্যান্ডের মুসল্লিদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর প্রথম সংসদীয় অধিবেশন শুরু করা হয়েছে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। || দক্ষিণ আফ্রিকায় জাকের হোসেন নামের এক বাংলাদেশিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা || কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক ছাএ নেতা সামসুল আলম || বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে চেয়ারম্যান পদে ফিরোজ হায়দার || সিমেন্টের বদলে বালি আর রডের বদলে বাঁশ দিবেন না: গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ || তাঁতী দলের উদ্যোগে আব্দুল আলী মৃধার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হবে || অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে কিনা জানতে চেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ||

    ৭৪ বছর বয়সী ৪ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ছোট্ট অন্ধকার প্রকোষ্ঠে ফেলে রেখে নারকীয় শাস্তি দেয়া হচ্ছে।

    March 12, 2019

    pnbd24:-মিডনাইট ইলেকশনে ক্ষমতা দখলকারী প্রধানমন্ত্রীর ভয়ংকর প্রতিহিংসার আর জেদের কারণে উপযুক্ত সুচিকিৎসার অভাবে সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে জনগণের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন। আমরা জানতে পেরেছি, তাঁর স্বাস্থ্যের গুরুতর অবনতি ঘটেছে। গত চারদিন তিনি অন্যের সাহায্য ছাড়া বিছানা থেকে নামতে পারছেন না। হুইল চেয়ারে বসতেও তার কস্ট হচ্ছে। ঠিকমতো বসতে পারছেন না। তিনি অসুস্থতার যন্ত্রনায়  দিনরাত্রী ভীষণ কষ্ট পাচ্ছেন। গত পাঁচ মাস সম্পূর্ণ বিনা চিকিৎসায় ৭৪ বছর বয়সী ৪ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ছোট্ট অন্ধকার প্রকোষ্ঠে ফেলে রেখে নারকীয় শাস্তি দেয়া হচ্ছে।

    পাঁচ মাস আগে গত বছরের ৬ অক্টোবরে তাঁকে পিজি হাসপাতালে আনা হয় লোক দেখানো চিকিৎসার নামে নাটক করতে। সেখানে কয়েকদিন রেখে চিকিৎসা সম্পূর্ণ না করেই তাড়াহুড়া করে আবার পরিত্যক্ত কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়। তারপর থেকে চিকিৎসাহীন তিনি। পিজি হাসপাতালের কতিপয় চিকিৎসক পাঁচ মাসে একবার বেগম খালেদা জিয়ার কাছে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে দু-চার কথা জিজ্ঞেস করে বাইরে এসে ফলাও করে দল অনুগত মিডিয়ায় প্রচার করেন তাঁর চিকিৎসা চলছে। দুই সপ্তাহ আগে সেই ডাক্তাররা বলেছিলেন রক্ত পরীক্ষা দরকার। আজও পর্যন্ত তার রক্ত নেয়া হয়নি। রক্ত পরীক্ষা করাও হয়নি। বাস্তবে কোন চিকিৎসা চলছে না। চিকিৎসার নামে চলছে নাটক। এই বয়সে তাঁর অসুস্থতার তীব্রতা অনুযায়ী প্রতিনিয়ত মেডিকেল পরীক্ষা ও ব্যক্তিগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পরিচর্যা জরুরী। অথচ বিদ্বেষপরায়ণ সরকার তাঁর চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। স্পষ্ট করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আছেন, যাদের অধীনে তিনি সারাজীবন চিকিৎসা নিয়েছেন, তাদের কাছেই চিকিৎসা নিতে চান। অথচ সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতার মদমত্ততায় বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা করাতে চায়। এটা দুরভিসন্ধিমুলক। পিজি হাসপাতালে নিয়ে সরকার প্রধান তার অসৎ অভিসন্ধী বাস্তবায়ন করতে চান বলে জণমনে ঘোরতর সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে অবৈধ শাষকগোষ্ঠী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা সাজানো হাস্যকর মামলায় আটকে রাখা হয়েছে। মিডনাইটের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারানোর ‘ভয় রোগে’ আক্রান্ত। এখন প্রতিমুহুর্ত আতংকে তাঁর দিন কাটছে। তারা মনে করছে দেশনেত্রী চিকিৎসা নিতে গেলেও তারা ক্ষমতা হারাবেন। সরকারের আচরণে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, তারা ভুল ও বিনা চিকিৎসায় বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশেষ করতে চায়। সরকার দেশনেত্রীর জনপ্রিয়তায় দিশেহারা-উন্মাদ হয়ে গেছে। কারণ মিডনাইটে ভোট ডাকাতির পর সিটি করপোরেশন, উপজেলা-কোন নির্বাচনে এখন ভোটারতো দূরে থাক গরু-ছাগলও আসছে না। দেশনেত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বর্তমান সরকারকে মন থেকে চিরতরে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে গণমানুষ। অবৈধ সরকার বুঝতে পেরেছেন তারা জনগণের চরম ঘৃনার পাত্রে পরিণত হয়েছে। তারপরও জনগণের ঘাড়ের ওপর রূপকথার কদাকার দৈত্যের মতো জোর করে চেপে বসে আছে। জনগণ এই  সরকারকে এক মুহুর্তের জন্য আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সারাদেশ এই অবৈধ সরকারের পদত্যাগ চায়। দেশনেত্রীর মুক্তি চায়। সুচিকিৎসার মাধ্যমে তাদের মাঝে তাদের গণতন্ত্রের ‘মাকে’ আবার ফিরে পাওয়ার জন্য বিষাদঘণ মনে অপেক্ষা করছে গোটা বাংলাদেশ।
    সাংবাদিক ভাই-বন্ধুরা/
    পিজি হাসপাতালের চিকিৎসার ওপরতো এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কোন মন্ত্রীরই ভরসা নেই। এক বড় মন্ত্রীকে ভর্তির পর জীবনহানীর আশংকায় তাড়াহুড়া করে সিঙ্গাপুরে নিয়ে গেছে। সেখানে আমাদের দেশনেত্রীর কোনভাবেই চিকিৎসা হতে পারে না। এই বিএসএমএমইউ হাসপাতালের চিকিৎসার প্রতি সরকারের মন্ত্রীদের মতো আমাদেরও অনাস্থা। দেশনেত্রীকে আজ – এক্ষুনি বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। সেখানে যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আছেন, তাদের অধীনে তিনি চিকিৎসা নিবেন। এজন্য রাষ্ট্রীয় অর্থ দিতে হবেনা । দেশনেত্রী তার ব্যক্তিগত অর্থেই চিকিৎসা নিতে চান। তাঁর জীবন প্রচন্ড ঝুঁকির মধ্যে। আমাদের আহবান আজকের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে তাঁকে বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তির সুযোগ দিন। স্যাতঁসেতে রুদ্ধ কারাগারে রেখে কঠিন যন্ত্রনা দিয়ে বিকৃত আনন্দ উপভোগ আর করবেন না। নির্যাতন-অবিচার-অত্যারেরও একটা সীমা আছে। সেটাও অতিক্রম করে গেছে। এখন শোনা যাচ্ছে তাঁকে অন্য কারাগারে স্থানান্তর করার চক্রান্ত চলছে। কোন স্থানান্তর ষড়যন্ত্র দেশবাসী মানবে না। আমরা মানবো না। তাঁকে মুক্তি দিতে হবে।
    প্রিয় সাংবাদিক ভাই বোন বন্ধু/
    আপনাদের মাধ্যমে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে হুশিয়ার করে বলছি,আপনাদের আচরণে দেশের প্রতিটি মানুষ নিশ্চিত যে, আপনারা ৭৪ বছর বয়স্ক একজন বহু জটিল রোগে রোগাক্রান্ত চোখ ও হাটুর অপারেশন করা চার বারের প্রধানমন্ত্রীর জীবননাশের ভয়াবহ চক্রান্ত করছেন। তাকে জামিনযোগ্য হাস্যকর ঠুনকো রাজনৈতিক মামলায় অব্যাহতভাবে প্রকাশ্যে জামিন প্রদানে বাধা দিয়ে ও চিকিৎসা নিয়ে টালবাহানার মাধ্যমে প্রমাণ করছেন তাকে কৌশলে হত্যা করাই আপনাদের মূল লক্ষ্য। এই ভয়ংকর চরম বিপদজনক চক্রান্ত থেকে সরে আসুন। দেশনেত্রীর কোন ক্ষতি হলে এর সর্ম্পূণ দায় আপনাদের উপরেই বর্তাবে। কেউ জনগণ আপনাদের রেহায় দিবে না । সুতরাং মন থেকে বদ মতলব মুছে ফেলেন। জনগনের নেত্রীকে মুক্তি দিয়ে জনগণের মাঝে ফিরে আসতে দিন। তাঁকে প্রানে বাচতে দিন। তাঁর মুক্তি দিন। তিনি এদেশেই চিকিৎসা নিবেন। দেশনেত্রীকে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করে সুস্থ হওয়ার সুযোগ দিন। গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো ভেঙ্গেফেলে বিরোধীশূণ্য দেশগঠনের জন্যই বেগম জিয়াকে অত্যাচার-জুলুম করে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

    ছবি :আবুল হোসেন নানা

    Print Friendly, PDF & Email