Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    আমরা যথেষ্ট ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছি : প্রধান বিচারপতি || কুয়েতে প্রবাসী নেতা আহম্মেদ আলী মুকিবকে এম.পি চাই শীর্ষক আলোচনা সভা ভন্ডুলের অপচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হলেন আওয়ামী গুপ্তচর কাজী মঞ্জুরুল আলম || আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় আওয়ামী লীগার – ড. খন্দকার মোশাররফ || নৌকা-সাম্পান নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের বন্যার্তদের ত্রাণ দিতে দেখা যায়নি: আবদুল্লাহ আল নোমান || জিয়াউর রহমানের শাসনামল অবৈধ হলে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগও অবৈধ’:বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল || সরকার দেশে সহিংসতার পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে : ফখরুল || ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশেনের মেয়র আনিসুল হক অসুস্থ হয়ে লন্ডনের একটি হাসপাতালে ভর্তি || প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে আজ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাক্ষাৎ করেছেন || বঙ্গভবনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাদের, আনিসুল ও মাহবুবে আলম || গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইসির সংলাপ:সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের পরামর্শ দিয়েছেন ||

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় সংকীর্ণতায় চলে গেছে এবং একটা দানবে পরিণত হয়েছে”: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

    pnbd24:-দেশের সব জায়গায় দলীয়করণ ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নিজেদের লোক ছাড়া অন্য কাউকে ‘চেনে না’।

    বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৪৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার ডিআরইউয়ে এক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।

    দলীয়করণের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, “আপনার গোষ্ঠীর মধ্যে কেউ যদি বিএনপি করে থাকে তাহলে আপনি নাই। শুধু ক্রীড়া অঙ্গনে নয়, সবক্ষেত্রেই এই অবস্থা।

    তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ মূলত অত্যন্ত সংকীর্ণ একটা রাজনৈতিক দল। তার নিজের বাইরে সে কিছু চিন্তা করতে জানে না, তার নিজের মানুষগুলো ছাড়া অন্য কাউকে চেনে না এবং রাষ্ট্র-দেশ বলতে তারা মনে করে তারাই রাষ্ট্র তারাই দেশ, তারাই সব কিছু। যার ফলে সর্বত্র এতো অন্যায়, অবিচার। এর ফলে বাধ্য হয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় সংকীর্ণতায় চলে গেছে এবং একটা দানবে পরিণত হয়েছে।”

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবির সাবেক উপদেষ্টা আরফাত রহমান কোকোর স্মরণে এই সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদ। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে অন্যান্য দল-মতের লোকদেরও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রাখা হয়েছিল বলে জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠনের পর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ফেডারেশন ও ক্রিকেট বোর্ডে সিপিবির সাইফুদ্দিন আহমেদ মানিক, জাসদের হাসানুল হক ইনু, বীর বাহাদুর এবং ২০০১ সালে সাবের হোসেন চৌধুরীসহ নানা মতের লোকদের সদস্যসহ সহ-সভাপতি পদে রাখা হয়েছিল।

    সরকারের ব্যর্থতায় দেশ ‘খাদের কিনারায়’ পৌঁছে গেছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আজকে আমরা এমন একটা জায়গায় চলে এসছি, যেখানে এক কথায় বলা যেতে পারে, আমরা একেবারে খাদের শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি। এখান থেকে যদি ফিরতে না পারি তাহলে অবধারিত আমরা তলিয়ে যাব, অন্ধকার গহ্বরে তলিয়ে যাব।

    “আমাদের এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমাদের সবাইকে চেষ্টা করতে হবে, সবাইকে ভাবতে হবে। আমরা যদি একটা জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করতে না পারি, আমরা দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠতে না পারি তাহলে আমরা আমাদের যে লক্ষ্য জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা, মধ্য আয়ের দেশ করা, একটা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণ করা-সেই লক্ষ্যে আমরা পৌঁছাতে পারব না।”

    সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ মিলনায়তনে এই আলোচনা সভায় বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে আরাফাত রহমান কোকোর অবদান স্মরণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক রফিকুল ইসলাম বাবু, সয়লাব হোসেন টুটুল, ইউসা মিশু, দেবব্রত পাল, বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক, নির্বাহী কমিটির সদস্য নুরুল কবির শাহিন, ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদের মোস্তাকুর রহমান, মেহেদি মাসুদ, সাইদুর রহমান ডন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    আরাফাত রহমান কোকোর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত আরেক সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর মন্ত্রীদের বক্তব্যে সরকারের ‘বেসামাল অবস্থা’ প্রতীয়মান হচ্ছে।

    তিনি বলেন, “ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পর তাদের মন্ত্রীদের বক্তব্য আপনারা দেখছেন, বেসামাল অবস্থা। তারা জানে, এদেশের মানুষ যদি একবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়, আওয়ামী লীগের পাত্তা থাকবে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজেই বলেছেন আগামী নির্বাচনে যদি তারা বিজয়ী না হয়, তাদের নেতা-কর্মীদের পিঠের চামড়া থাকবে না, তাদের পালানোর পথ থাকবে না। তারা এত ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে আছে।”

    এই আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক শিকদার, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলমগীর হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    Print Friendly, PDF & Email