Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    রাজনেতিক হস্তক্ষেপ হলে ২০১৮’র বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ করা হবে স্পেনকে:ফিফা || লাখো মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হতে পুরোপুরি প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ || রাজধানীসহ সারা দেশে বিএনপির প্রতিবাদ কর্মসূচি ১৮ ডিসেম্বর || আগামী বিজয় দিবস সরকারিভাবে বিএনপিই পালন করবে :বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বাণীতে আহম্মেদ আলী মুকিব || ১৬ ডিসেম্বর আমদের গর্বিত এবং মহিমান্বিত বিজয় দিবস: বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া || ১৯৭১ সালের এদিনে আমরা প্রিয় মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করতে সক্ষম হই:বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম || চশমা হিলের পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশেই শায়িত হলেন সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী || বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত অনেকের বিচার হয়েছে, অনেকে পালিয়ে আছে: ওবায়দুল কাদের || রাজধানীর মিরপুর বু‌দ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে জা‌তির শ্রেষ্ঠ সন্তানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।  || শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ||

    হারিয়ে যাচ্ছে শৈলকুপার কুমার নদের তীরে মুসলিম রেনেসাঁর কবি গোলাম মোস্তফার স্মৃতি

    August 12, 2017

    জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ
    ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে কুমার নদের তীরে মনোহরপুর গ্রাম। ১৮৯৭ সালে বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফা শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের জন্ম গ্রহন করেন। এখানেই কবির ভিটাবাড়ী। কিন্তু অযতœ আর অবহেলায় হারিয়ে যেতে বসেছে বাংলা গদ্য সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ অবদান ‘বিশ্বনবী’ গ্রন্থের রচিয়তার জন্মভিটা। ১৯১৪ সালে শৈলকুপা হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯১৬ সালে খুলনা দৌলতপুর কলেজ থেকে আইএ পাশ করেন কবি গোলাম মোস্তফা।

    কোলকাতার রিপন কলেজ থেকে ১৯১৮ সালের বিএ পাশ করেন এবং ১৯২০ সালে ভারতের চব্বিশ পরগনা জেলার ব্যারাকপুর সরকারী হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন। পরে ডেভিট হেয়ার ট্রেনিং কলেজ থেকে বিটি পাশ করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেয়ে ফরিদপুর জেলা স্কুলে ১৯৪৬ সালে যোগদান করেন এবং ১৯৫০ সালে সরকারী চাকুরী হতে অবসর গ্রহন করেন তিনি। গীত রচনা, কাব্য, উপন্যাস, জীবনী অনুবাদ সহ বাংলা সাহিত্যের সকল শাখায় তার পদচারণা ছিল।

    ১৯১৩ সালে দশম শ্রেণীর ছাত্র থাকাবস্থায় ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকায় তার প্রথম লেখা ‘আদ্রিয়ানোপল উদ্ধার’ কবিতা প্রকাশিত হয়। কবি গোলাম মোস্তফা ‘মুসলিম রেনেসাঁর কবি’ হিসাবে বাংলা সাহিত্যে বিশিষ্টতার দাবিদার বলে অখ্যায়িত। কবি গোলাম মোস্তফার অন্যতম গদ্য সাহিত্য ‘বিশ্বনবী’ গ্রন্থখানি শ্রেষ্ঠ অবদান। ১৯৪৭ সালের প্রকাশিত হয় ইসলাম ও জ্বেহাদ, ইসলাম ও কম্যুনিজম গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে। এছাড়া ১৯৪২ সালে ‘মরু দুলাল’ এবং ‘বিশ্বনবী’ ও এসময় প্রকাশিত হয়।

    এছাড়াও বেশ কয়েকটি নাটক ও বই রয়েছে তার রচিত। ,গ্রামের যুব সমাজ কবি গোলাম মোস্তফা স্মৃতিপাঠাগার ও সাংস্কৃতি সংঘ নামে সেখানে একটি সংগঠন গড়ে তুলেছে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সেখানে একটি লাইব্রেরী করা হয়েছে। প্রতি বছর কবির জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কিছু অুনষ্ঠান হয়ে থাকলেও অযতœ আর অরক্ষিত অবস্থায় রয়ে গেছে কবির বসবাসের মূল পিতৃ ভিটাবাড়ি।

    কবির পিতৃ ভিটাবাড়িটি রক্ষায় সরকারী কিংবা বেসরকারী ভাবে কেহ এগিয়ে আসেনি। এই ভিটাবাড়িটি সহ কবির স্মৃতি ধরে রাখতে সরকারী কোন দৃষ্টি না পড়লেও শৈলকুপাবাসী তার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য মনোহরপুর ও পাশ্ববর্তী হিতামপুর গ্রামে কবির নামে ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেছেন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কবির বাড়িও ¯মৃতি বিজড়িত বৈঠকখানা ও গ্রাম দেখতে এসে ভোগান্তির স্বীকার হয় দর্শনার্থীরা।

     

    Print Friendly, PDF & Email