Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    শিক্ষা প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রে ঘাঁটি গেড়েছিলেন তারা || ২১তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) || নির্বাচনকালীন সরকার যেটি হবে সেটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যেই হবে:আমির খসরু মাহমুদ || নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন না দিলে জনগণ রাস্তায় নেমে ভোটাধিকার আদায় করবে || দুপুর বেলাও বিএনপি মনে করছে রাত শেষ হয়নি: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী || সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশী সহ নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৯ বিদেশী শ্রমিক || সিরিয়ার আফরিনে কুর্দিবিরোধী অভিযান অব্যাহত রেখেছে তুর্কি সামরিক বাহিনী || ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা || ভিডিও >> সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল’কে ন্যাংটো করে দিলেন ‘উৎসাহী জনতা’ || অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে:শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ||

    এবিসি বাংলা টেলিভিশন আসছে

    September 11, 2017

    নিজস্ব প্রতিবেদক :
    বাংলাদেশের টেলিভিশিনের যাত্রা শুরু স্বাধীনতার পরপরই। ডিআইটির একটি কে শুরু হওয়া পাকিস্তান টেলিভিশন পিটিভি হঠাৎ করে বাংলাদেশ টেলিভিশন-বিটিভিতে রুপান্তরিত হবার মধ্যে দিয়ে। তারপর হাটি হাটি পা পা করে বাংলাদেশের টেলিভিশন নিজস্ব ভবন। এছাড়াও জাতীয় স¤প্রচার কর্তৃপ স্থাপিত হওয়া। দেশের টেলিভিশন শিল্প খাত হিসেবে শুরু না হলেও টেলিভিশন নিজেই প্রযুক্তির সাথে এগিয়ে যেতে থাকে। ৯০ এর দশকে যখন আকাশ সংস্কৃতিকে নতুন রূপ আরোপিত হয়। তখন থেকে এদেশের দর্শকরা ড্রইং রুমের বিনোদন হিসেবে স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল দেখতে শুরু করে। এদেশের আকাশ সংস্কৃৃতি তখন বিশ্ব প্রযুক্তি দখল করতে শুরু করে। সেই প্রতিক’লতার মধ্যে একে একে হাটতে শুরু করে দেশীয় বাংলা স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল গুলো। একুশ টিভি, এটিএন বাংলা, চ্যানেল আই, এন টিভি, বাংলাভিশন, আর টিভির মতো টিভি চ্যানেলগুলো দর্শক প্রিয়তার পাশাপাশি তথ্য ও গন মাধ্যম হিসেবে দেশের দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কেবল স¤প্রচারের মাধ্যমে স্যাটেলাইট টিভিগুলো স¤প্রচারের সুবাদে প্রধান গন মাধ্যমে রূপ লাভ করে স্যাটেলাইট টেলিভিশন। একে একে আসতে শুরু করে বৈশাখী টিভি, আরটিভি, চ্যানেল ওয়ান, সিএসবি, ইসলামিক টিভি, দিগন্ত টিভি, ইনডিপেডন্টে টিভি, চ্যানেল ২৪ , নিউজ ২৪, চ্যানেল ৯,মাই টিভি, বিজয় টিভি, গান বাংলার মতো টিভি চ্যানেল। এরই মধ্যে টিভি চ্যানেলে প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগতে শুরু করে। আসে স্যাটেলাইট টিভি কেবল টিভিতে স¤প্রচারের পাশাপশি পাশি আইপি প্লাটফরম, অন লাইন ও সোস্যাল প্লাটফরম। চ্যানেল গুলোর জন্য আইপি টিভি ও অন লাইন ভিত্তিক টিভির নতুন বাজার উন্মুক্ত হতে খাকে। এ পর্যায়ে বাংলা দেশের প্রথম আইপি ও অন লাইন টিভি হিসেবে বাংলাদেশের গন মাধ্যমের মিডিয়া হাউজ এবিসিএল প্লাস যাত্রা শুরু করে এবিসি বাংলা টিভি নামে। বিশ্ব প্রযুক্তি বাজারে অন লাইন টিভি হিসেবে এবিসি ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করার পর প্রায় এক কোটি দর্শকের প্রিয় অন লাইন টিভিতে পরিনত হয়। প্রতিদিন এক কোটি গ্রাহক অন লাইনে এই টিভির স¤প্রচারিত অনুষ্ঠান উপভোগ করতে থাকে। সরকারের কোন নীতি মালা না থাকায় অন লইন টিভি হিসেবে আবেদিত অবস্থায় চলতে খাকে এবিসি বাংলার অনুষ্ঠান স¤প্রচার। এরই মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান স¤প্রচার করে বিশ্বের নামী টিভি চ্যানেল এবিসির সাথে ও ডিজনি গ্র“পের অনুষ্ঠান ফ্রেনচাইস হবার অনুমতি লাভ করে ২০১২ সালে সেই থেকে স্যাটেলাইটে এবিসি টিভির বাংলা অনুষ্ঠান স¤প্রচারের পথচলা। প্যানআম স্যাটে স¤প্রচারিত হওয়ায় তা বাংলাদেশের দর্শকরা উপভোগ করা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছিল। এবার দেশের অন্যান্য বাংলা টিভি চ্যানেল গুলোর মতো আপস্টার সেভেন এপিটি স্যাটে স¤প্রচারিত করার উদ্যোগ নিয়েছে এবিসি টিভি, অস্টেলিয়া, মালদ্বীপ ,নেপাল, বাংলা ও গ্রীক ৫টি দেশের ৫টি ভাষায় স¤প্রচারের কর্ণধার এবিসিএল প্লাস।
    এক সাথে এবিসি টিভি বাংলা বিশ্ব স্যাটেলাইটে বাংলা ভাষাভাসিদের জন্য মিলন মেলায় রূপ নেবার সুযোগ লাভ করেছে। মুলত: মুজিব নগর সরকারের অর্থ মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা প্রয়াত মনসুর আলীর বাংলা সংস্কৃতির আলো বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু করে ”সোনার মানুষ সোনার দেশ বিশ্ব জুড়ে বাংলাদেশ” স্লোগানের এবিসি বাংল্ াটেলিভিশন।
    প্রয়াত মনসুর আলীর স্বপ্ন স্বাদের বাস্তবায়ন তিনি জীবদ্বর্শায় করে যেতে না পারলেও তার পরিবারের সদস্যরা এবিসিএল প্লাস নামের পারিবারিক মিডিয়া হাউজের মাধ্যমে আলোকিত বাংলাদেশ কমিউনিকেশন- এবিসি নামে সেই ১৯৯০ সাল থেকে দেশের গন মাধ্যমে নিবেদিত হয়ে কাজ করে আসছিলো। ২০১০ সালে এসে সেই স্বপ্নের নতুন ভাবে পথ চলা।
    অনলাইনে পথ চলতে চলতে নতুন দর্শক সৃষ্টি ও বিশ্ব বাংলা সেতু বন্ধন সৃষ্টিতে অগ্রনী ভুমিকা রাখে। বিশ্ব বাঙ্গালী ও বাংলা ভাষা ভাসির এক ছাতার নিচে আনার স্বপ্নে বিভোর হয়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় “সোনার মানুষ সোনার দেশ বিশ্ব জুড়ে বাংলাদেশ” স্লোগান নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে। তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান নাম ও মান দর্শক প্রিয়তার শীর্ষে উঠে আসে। অনলাইনের কোটি দর্শক হৃদয় জয়ের ধারাবাহিকতায় এবার সেই শীর্ষ অবস্থান থেকে স্যাটেলাইটে পথ চলার চেষ্টা শুরু হয় ২০১২ সাল থেকে তবেক্ষাংলাদেশের দর্শকদের জন্য এই ২০১৭ সালই হলো এবিসি বাংলা টিভির স্যাটেলাইট বদলের মাধ্রমে বদলে যাওয়ার শুরু।
    এবার বাংলাদেশের স্টুডিও থেকে সরাসরি লাইভ অনুষ্ঠান সংবাদ ছাড়াও মিক্সড চ্যানেল হিসেবেই পথ চলবে এবিসি বাংলা টেলিভিশন।
    মুক্তিযুদ্ধের সোনার বাংলার পতাকা এবার প্রযুক্তির আকাশে এবিসি বাংলার হাত ধরে উড়ছে। আর সেই বাংলাদেশের পতাকাকে আরো দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে নিতে এই পথ চলাকে সমৃদ্ধ করতে সারা বাংলাদেশের এক ঝাক তরুন সংবাদ কর্মী ও নির্মাতা কলা কুশলীদের সাথে বিশ্বের একশ পঞ্চাশটিরও বেশি দেশের বাংলা ভাষী প্রতিনিধিদের নিয়ে তৈরি করেছে নিজস্ব কর্মী পরিবার। এই পরিবারই সবুজ সাংবাদিকতা ও সবুজ সাংস্কৃতিক বিপ্লব সৃষ্টির ল্েযই শুরু করেছে পথ চলা।
    এবারের ঈদুল ফিতরে তারা আয়োজন করেছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান মালার এর মধ্যে রাজনৈতিক আলাপ চারিতার অনুষ্ঠান জয়যাত্রা, বিরঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযুদ্ধের কথার অনুষ্ঠান হে জননী আমার, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান কিছু আনন্দ, মুক্তিযোদ্ধাদের বিরত্বগাথাঁ “দ্রোহের আগুন” শিুশুদের অনুষ্ঠান স্বপ্নপুরী, লাইফ স্টাইল ও ফ্যাশণ ম্যাগাজিন “ফ্যাশণ বাংলা” রূপ চর্চা ও সচেতনতার অনুষ্ঠান রূপ রহস্য, ব্যবসা বানিজ্য ভিত্তিক অনুষ্ঠান এবিসি বিজনেস, রুপ চর্চার অনুষ্ঠান রুপকথা, টক শো “ নীতি কাহন” সংগীতানুষ্ঠান ঢাক ঢোল, এসপ্তাহের চলচ্চিত্র, এসপ্তাহের নাটক, এসপ্তাহের ইংরেজী ছবি মুভি অব দ্যা উইক, টর্ক শো ছায়া কথা ছায়া নীতি,রাজনীতির টর্ক শো রাজচক্র,বিশ্ব সংবাদের অনুষ্ঠান মানচিত্রের ভেতরে, এবিসি স্পোর্টস, সারা দেশের পর্যটন ও উন্নয়ন অগ্রগতির অনুষ্ঠান দৃষ্টি জুড়ে দেশ, শিশুদের অনুষ্ঠান ”মুখোশ মানুষ” , স্বপ্ন পুড়ি। এছাড়া বিশেষ সংবাদ দু মিনিট, সংবাদ ৫ মিনিট সংবাদ ১০ মিনিট ও এবিসি বাংলা সংবাদ।
    এই সব অনুষ্ঠান ছাড়াও থাকছে বিশেষ আর ব্যতিক্রম অনুষ্ঠানের নানান আয়োজন। আমরা দেখছি ”সোনার মানুষ সোনার দেশ বিশ্ব জুড়ে বাংলাদেশ” স্লোগানের এবিসি বাংলা টেলিভিশন আপনারাও দেখুন্পানাদের দেখার আমন্ত্রন।

    Print Friendly, PDF & Email