Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    মালিককে ঘিরে তদন্ত :চারপাশ স্বর্ণে মোড়ানো ৩৫ লাখ টাকার মোবাইল জব্দ || চীন শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী:জাতিসংঘকে দিয়ে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে না—–চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং য়ি || সারাজীবনতো টাকা এনেছি,পাচার করবো কেন?:শিল্পপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু || রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংসতা যুদ্ধাপরাধের শামিল : বাংলাদেশ সফররত মার্কিন সিনেটররা || ঈদ-ই মিলাদুন্নবি পালিত হবে আগামী ২রা ডিসেম্বর || কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী মারি ক্লদ বিবু মঙ্গলবার ঢাকা আসছেন || কোনো রাজনীতিবিদের নামে সেনা নিবাস করবেন না:বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ || বিমানবন্দরে সাক্ষাৎ হলো ওবায়দুল কাদের ও মির্জা ফখরুলের || বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য তারেক রহমানের বিকল্প নেই :সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ || বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী  দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোকবার্তা ||

    যশোরে ৭ কর্মকর্তাসহ ১৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুম মামলা

    November 14, 2017

    pnbd24:-যশোরে ৭ কর্মকর্তাসহ ১৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুম মামলা হয়েছে। গতকাল দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে যশোর কোতোয়ালি থানার ওই পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন হিরা খাতুন নামের এক মহিলা। আদালত এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।
    যশোর শংকরপুর এলাকার হিরা খাতুন মামলার বিবরণে উল্লেখ করেন, গত ৫ই এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে তার একমাত্র পুত্র সাইদ ও তার বন্ধু শাওন শহরের পৌর পার্কে বেড়াতে যায়। বেলা ১২টার দিকে সাব্বির হোসেন নামে এক যুবক তাকে মোবাইল ফোনে জানায় পুলিশ সাইদ ও শাওনকে আটক করেছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পৌর পার্কে যান এবং দেখতে পান সাইদ ও শাওনকে পুলিশ গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় তিনি দৌড়ে পুলিশের কাছে আটকের কারণ জানতে চাইলে তারা তাকে থানায় গিয়ে কথা বলতে বলেন।

    পরে থানার সামনে গিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত বসে থাকলেও তাকে থানায় ঢুকতে দেয়া হয়নি। সন্ধ্যা সাতটার দিকে দুই পুলিশ সদস্য তাকে ডেকে ছেলেকে ছাড়ানোর জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন। কিন্তু সামর্থ্য না থাকায় তিনি পুলিশের দাবি পূরণ করতে পারেননি। এরপর ৭ই এপ্রিল তিনি পত্রিকা মারফত জানতে পারেন তার ছেলে সাইদ ও শাওন পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি থানায় গিয়ে এ বিষয়ে কিছু জানার চেষ্টা করলেও পুলিশ তাকে কোনো কিছু জানায়নি। পরে কোর্টে গিয়ে জানতে পারেন যে, পুলিশ কোর্টে এ বিষয়ে একটা মামলা করেছে। ওই মামলায় তার ছেলে ও শাওন পালিয়ে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর তার ছেলের সন্ধানে তিনি বারবার পুলিশের কাছে গেলেও তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়। একপর্যায়ে ছেলের সন্ধান চেয়ে তিনি গত ৩০শে মে যশোর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত তার ছেলে ও ছেলের বন্ধুর কোনো খোঁজ মেলেনি। দুই লাখ টাকা ঘুষ না পেয়ে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তার ছেলে ও ছেলের বন্ধুকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ ও তাদের লাশ গুম করে ফেলেছে বলে সন্দেহ করছেন তিনি। সে কারণে তিনি আদালতে মামলা করছেন। যশোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান পিটিশনটি গ্রহণ করে এ ব্যাপারে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
    মামলায় যশোর কোতোয়ালি থানার এসআই এইচএম শহিদুল ইসলাম, এসআই আমির হোসেন, এসআই হাসানুর রহমান, এএসআই রাজন গাজী, এএসআই সেলিম মুন্সি, এএসআই বিপ্লব হোসেন, এএসআই সেলিম আহম্মেদ, কনস্টেবল আরিফুজ্জামান, কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. রমজান, কনস্টেবল হাবিবুর রহমান, কনস্টেবল আবু বক্কার, কনস্টেবল মিজান শেখ, কনস্টেবল মাহমুদুর রহমান, কনস্টেবল রাজিবুল ইসলাম ও কনস্টেবল টোকন হোসেনকে আসামি করা হয়েছে।

    Print Friendly, PDF & Email