Recent Comments

    ব্রেকিং নিউজ

    রাজনেতিক হস্তক্ষেপ হলে ২০১৮’র বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ করা হবে স্পেনকে:ফিফা || লাখো মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হতে পুরোপুরি প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ || রাজধানীসহ সারা দেশে বিএনপির প্রতিবাদ কর্মসূচি ১৮ ডিসেম্বর || আগামী বিজয় দিবস সরকারিভাবে বিএনপিই পালন করবে :বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা বাণীতে আহম্মেদ আলী মুকিব || ১৬ ডিসেম্বর আমদের গর্বিত এবং মহিমান্বিত বিজয় দিবস: বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া || ১৯৭১ সালের এদিনে আমরা প্রিয় মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করতে সক্ষম হই:বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম || চশমা হিলের পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশেই শায়িত হলেন সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী || বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত অনেকের বিচার হয়েছে, অনেকে পালিয়ে আছে: ওবায়দুল কাদের || রাজধানীর মিরপুর বু‌দ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে জা‌তির শ্রেষ্ঠ সন্তানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।  || শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ||

    বুধবার ৬ ডিসেম্বর বিরামপুর মুক্ত দিবস

    December 5, 2017

    মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর দক্ষিনাঞ্চল প্রতিনিধি-১৯৭১ সালে স্বাধীনতার মরণ পণ যুদ্ধে সেইসব বীর শহীদদের স্মরণে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে।
    জানা যায়, এ অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধারা বিরামপুরকে পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ঘোড়াঘাট রেলগুমটি, কেটরা শালবাগান, ভেলারপাড় ব্রীজ, ডাকবাংলা ও পূর্বজগন্নাথপুর মামুনাবাদে বাঙ্কার বসিয়ে সতর্ক অবস্থায় থাকতেন।
    পাকসেনারা ৪ ডিসেম্বর পাইলট স্কুলের সন্মুখে ও ঘাটপাড় ব্রিজে প্রচন্ড শেলিং করে ভাইগড় গ্রাম দিয়ে তীরমনিতে ৪টি শেল নিক্ষেপ করে।
    দেশ ও স্বাধিকারের জন্য আমাদের দামাল ছেলেরা যৌবনের দুরন্ত সময়ে দেশ মাতৃকার টানে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিঁয়ে পড়ে শত্রুদের কবল থেকে বিরামপুরকে মুক্ত করে।
    আরো জানা যায়, স্বাধীনতা যুদ্ধে ৭নং সেক্টরের মেজর নাজমুল হূদা ও মেজর নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ভারতের কালিয়াগঞ্জ তরঙ্গপুর ক্যাম্পে দেশ মাতৃকার টানে ২৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
    এতে অত্র উপজেলায় ২০জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পঙ্গু হন ০২জন এবং যুদ্ধে মারাত্মক ভাবে আহত হন ১৩ জন মুক্তিযোদ্ধা ।
    বিরামপুরের গোহাটির কূয়া, ঘাটপাড় ব্রীজ, ২নং রাইচ মিলের কূয়া, পূর্ব জগন্নাথপুরে আব্দুল ওয়াহেদের বাগান বাড়ি, ৪নং রাইচ মিলের কুয়া বদ্বভূমি হিসেবে পরিচিত। যুদ্ধ চলাকালীন পাক হানাদার বাহিনী গণহত্যা করে শহীদদের লাশ এইসব স্থানে পুঁতে রাখে। আজও নির্মিত হয়নি শহিদদের স্মরণে কোথাও স্মৃতিস্মম্ভ।
    উল্লেখ্য যে, কেটরাহাটে লোমহর্ষক ও সন্মুখ যুদ্ধে ৭জন পাকসেনা এবং ১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা মারা যাওয়ার পর ৬ ডিসেম্বর বিরামপুর শত্রুমুক্ত করে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন। স্বাধীন বাংলার আকাশে উড়ে বিজয়ের লাল সবুজ পতাকা।
    আগামীকাল বিরামপুর মুক্তদিবস উপলক্ষ্যে বেলা ১১টায় উপজেলা কৃষি ট্রেনিং সেন্টার (মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সংলগ্ন) আলোচনা সভা ও র‌্যালি উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজ ডায়েরী বিডি ডটকমের সহযোগীতায় বিরামপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদে ০৬ ডিসেম্বর, বুধবার বেলা ১১টায় যুদ্ধের স্মৃতিচারণে মুক্ত আলোচনা সভা, র‌্যালি শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

    Print Friendly, PDF & Email